জানুয়ারি 28, 2026

চালককে নৃশংসভাবে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার ৩

জানুয়ারি 20, 2026

ডেস্ক নিউজ

সম্প্রতি ভোলার লালমোহন উপজেলায় আবু বকর ছিদ্দিক নামে এক ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চালককে নৃশংভাবে কুপিয়ে হত্যার পর তার রিকশাটি নিয়ে যাওয়ার ঘটনায় মূল হোতাসহ তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তবে এখনও উদ্ধার হয়নি অটোরিকশাটি।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—হতাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী চরফ্যাশন উপজেলার দুলারহাট থানার চরকলমি ইউনিয়নের মো. ইব্রাহীম (৩৬), তার সহযোগী বোরহানউদ্দিন উপজেলার দেউলা ইউনিয়নের বাসিন্দা মো. রাজা (৩২) ও কাজী তারেক ৩৫)।

বুধবার (৭ জানুয়ারি) দুপুরে পুলিশ সুপার কার্যালয়ের হলরুমে জেলা পুলিশ আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন পুলিশ সুপার মো. শহিদুল্লাহ কাওছার।

এর আগে, গত ৩১ ডিসেম্বর ‘চালককে নৃশংসভাবে কুপিয়ে হত্যার পর অটোরিকশা ছিনতাই’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হয় ঢাকা পোস্টে।

প্রেস ব্রিফিংয়ে ভোলার পুলিশ সুপার মো. শহিদুল্লাহ কাওছার বলেন, হত্যাকারী সাতজন গত ৩০ ডিসেম্বর দিবাগত রাত আনুমানিক সাড়ে ৮টার দিকে পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী চরফ্যাশন বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে বোরহানউদ্দিন যাওয়ার কথা বলে আবু বকর ছিদ্দিকের অটোরিকশায় ওঠেন। সাড়ে ৯টার দিকে লালমোহন উপজেলার কচুয়াখালী এলাকায় এসে অটোরিকশাচালক আবু বকর ছিদ্দিকের বুকের ডান পাশে ধারালো চাকু দিয়ে আঘাত করে তাকে ফেলে অটোরিকশা ছিনতাই করে পালিয়ে যায় হত্যাকারীরা। পরে নিহতের ছেলে সুলতান ১ জানুয়ারি বাদী হয়ে লালমোহন থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। মামলার পরিপ্রেক্ষিতে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় সোমবার (৫ জানুয়ারি) মূল আসামি ইব্রাহীমকে গ্রেপ্তার করা হয়, জিজ্ঞাসাবাদে হত্যার দায় স্বীকার করে ইব্রাহীমের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মো. রাজা ও কাজী তারেককে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃত ইব্রাহীম ও রাজার বিরুদ্ধে ঢাকায় একাধিক মামলা রয়েছে।

পুলিশ সুপার আরও বলেন, হত্যায় ব্যবহৃত চাকু উদ্ধার করা হয়েছে এবং অন্য আসামিদের গ্রেপ্তার ও অটোরিকশাটি উদ্ধারের চেষ্টা চলছে। এ সময় জেলা পুলিশের অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

টপিক :

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

আরো দেখুন