বিডিটাইমস ডেস্কঃ
সিলেটের ওসমানীনগরে দুপক্ষের সংঘর্ষ থামাতে গিয়ে আতিক মিয়া (৪২) নামে সাবেক এক ইউপি সদস্য নিহত হয়েছেন। বুধবার রাতে সংঘর্ষে গুরুতর আহত হবার পর সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাতেই আতিক মিয়া মারা যান।
নিহত আতিক উপজেলার বুরুঙ্গা ইউপির পশ্চিম সিরাজনগর গ্রামের মাহমদ আলীর ছেলে ও ৯নং ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য। এ ঘটনায় ওসমানীনগর থানা পুলিশ ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে ১২ জনকে আটক করে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার বুরুঙ্গা ইউনিয়নের পশ্চিম সিরাজনগর গ্রামের আকলিছ মিয়া ও আব্দুল ওহাব পাছুর মধ্যে দীর্ঘ দিন ধরে জমিসংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে। বিরোধকে কেন্দ্র করে প্রায়ই উভয়ের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটছে আসছে। গত বুধবার দুপুরে দুইপক্ষ সংঘর্ষে জড়ালে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পুলিশ ফিরে যাওয়ার পর স্থানীয়দের উদ্যোগে বিষয়টি আপস-মীমাংসা করার জন্য সমবেত হন স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
ওই রাতে উভয়পক্ষকে নিয়ে বসে আপস-মীমাংসার সিদ্ধান্ত হয়। সালিশ বৈঠক থেকে ফেরার পথে সাবেক ইউপি সদস্য আতিক মিয়ার ওপর অতর্কিত হামলা চালায় আব্দুল ওয়াহাবের পক্ষের লোকজন। ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে উপর্যুপরি মাথায় এবং বুকে জখম করলে গুরুতর অবস্থায় তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। রাতেই আতিক মিয়া হাসপাতালে মারা যান।
নিহত আতিক মিয়ার পিতা মাহমদ আলী বলেন, দুইপক্ষের লোকের সমস্যা সমাধান করার উদ্যোগ নেওয়ায় আব্দুল ওয়াহাব ওরফে পাছু ও তার ছেলে এবং আত্তর আলী, মঞ্জু মিয়া, মিজান মিয়া, মুকিদগংরা ধারাল অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে হত্যা করে। আমি আমার ছেলের হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেখতে চাই।
এ ব্যাপারে ওসমানীনগর থানার ওসি মো. মোরশেদুল হাসান ভূঁইয়া ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ অভিযান চালিয়ে ১২ জনকে আটক করে আদালতে পাঠিয়েছে।